ফলের বাজারে আগুন, বিপাকে ক্রেতারা
স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় :
২৭-০২-২০২৬ ০৩:১৫:০৭ অপরাহ্ন
আপডেট সময় :
২৭-০২-২০২৬ ০৩:১৫:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদচিত্র: সংগৃহীত
বিদেশি ফলের দাম যতটা বাড়ার কথা, বিক্রি হচ্ছে তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে। খেজুর, আপেল, মাল্টা, আঙুর সবই এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রকারভেদে ফলের দাম কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ বিপাকে পড়েছেন। বিক্রেতারা বলছেন, আমদানিতে বাড়তি খরচ ও সরবরাহ সংকটের কারণে ফলের দাম বাড়তি।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও রায়েরবাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথ বলে জানা যায়, বাজারে এখন প্রতি কেজি আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, ভালোমানের কমলা প্রতি কেজি ৩৫০ থেকে ৪৩০ টাকা, মাল্টা প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, আঙুর জাতভেদে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ডালিম বড় আকারের ৬০০ টাকা, মাঝারি আকারের ৫৫০ টাকা ও ছোট ৫০০ টাকা, পাকা পেঁপে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, পেয়ারা ১৪০ টাকা, বড়ই ২৬০ টাকা, বেল বড় আকারের ৩০০ টাকা, মাঝারি আকারের ২০০ টাকা এবং ছোট আকারের ১০০ টাকা, ছোট আনারস ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস, তরমুজ ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
এখন বাজারে বড় আকারের এক হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, মাঝারি আকারের এক ডজন লেবু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা এবং ছোট আকারের এক ডজন লেবুর বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। বাজারে এখন ছোট আকারের ডাব বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, মাঝারি আকারের ডাব ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা এবং বড় আকারের ডাব ১৬০ থেকে ২০০ টাকায়।
রাজধানীর কারওয়ানবাজারে ইফতারের জন্য ফল নিতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফিন হাসান বলেন, “প্রতি সপ্তাহে দেখি সব কিছুর দাম বাড়ে। আপেল নিতে আসছিলাম, দাম শুনে হাফ কেজি নিয়েছি। আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা রমজান আসলে তাদের ব্যবসা মৌসুম মনে করে।” কারওয়ান বাজারে ফল বিক্রেতা জাকির মোল্লা লেন, “চাহিদা বেশি ও সরবরাহ কম থাকায় এ সপ্তাহে দাম বাড়তি। আমরা খুচরা বিক্রি করি, দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমাদের কোনো হাত নেই। কিন্তু ক্রেতাদের কাছ থেকে আমাদেরই কথা শুনতে হয়।”
বাংলাস্কুপ/প্রতিবেদক/এনআইএন
প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স